সেনাবাহিনীকে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

এবার মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গন্ধুর আদর্শে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রবিবার সকালে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির ৮৩তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের প্রশিক্ষণ সমাপনী রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে তিনি এ আহ্বান জানান। এসময় তিনি বলেন, সেনাবাহিনীকে আধুনিকভাবে গড়ে তুলতে নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

আজ সকাল সাড়ে দশটায় বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। শুরুতেই তিনি নবীন ক্যাডেটদের অভিবাদন গ্রহণ করে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। তারপর পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্যাডেটদের স্মারক তুলে দেন। এবার সব বিষয়ে শ্রেষ্ঠ কৃতিত্বের জন্য সোর্ড অব অনার অর্জন করেন লাবিব জোহায়ের।

এরপর প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী ফোর্সেস গোল ২০৩০ এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীকে বর্তমান প্রযুক্তি নির্ভর পৃথিবীর জন্য ঢেলে সাজানো হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন। সেনাবাহিনীকে ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিশেবে গড়ে তুলতে এর পরিসর নানা ভাবে বাড়ানোর পরিকল্পনা সরকার নিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের কারো সঙ্গে যুদ্ধ চায় না। সবার সঙ্গে বন্ধুত্বই পররাষ্ট্রনীতি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সারাবিশ্বে শান্তি রক্ষায় এক অনন্য ভূমিকা পালন করছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও দেশের মানুষের কল্যাণে নবীন অফিসারদের সততার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।

তিনি বলেন, তোমাদের মনে রাখতে হবে, তোমরা এ দেশের সন্তান; জনগণের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই তোমাদের সবাইকে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ ও হাসি-কান্নার সমান অংশীদার হতে হবে। সুযোগ্য নেতৃত্ব, সার্বিক দিক-নির্দেশনা, পেশাদারিত্ব, দেশপ্রেম ও আন্তরিকতার মাধ্যমে তোমাদের দেশের সেবা করে যেতে হবে। দেশপ্রেমের মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করাই তোমাদের পেশাগত জীবনের প্রধান ব্রত।