ইডেনের ঘটনায় যা জানালেন লেখক ভট্টাচার্য

ছাছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠেছে ইডেন মহিলা কলেজ। পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, সিটবাণিজ্য, মারধর ও দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় ইডেন ক্যাম্পাসে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এসব বিষয়ে সমাধানে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। শেষপর্যন্ত রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে ১৬ জনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে, বহিষ্কারের বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেক নেত্রী।

তাদের অভিযোগ, বহিষ্কার হওয়ারা কেউই সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের কাছের অনুসারী নন। নিজেদের আক্রোশ থেকে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য গণমাধ্যমকে বলছেন, আগের ঘটনা এবং গতকালের ঘটনার ভিডিও ফুটেজ দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, পুরো ঘটনার মধ্যে যারা জড়িত আছে, ইতোমধ্যে কলেজ প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তারা তাদের মতো করে জানাবে। তাদের কাছে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে।

লেখক ভট্টাচার্য বলেন, তারা (ইডেন ছাত্রলীগের একাংশ) সংবাদ মাধ্যমে যে ধরনের অভিযোগ করেছে, তার একটি প্রমাণও দেখাতে পারেনি। রোববার রাতের ঘটনা শিক্ষকদের সামনে ঘটনা ঘটেছে। তাদের সঙ্গে কথা বলেছি, ভিডিও ফুটেজও দেখেছি। তারপর আর তদন্ত করার দরকার নেই। বহিষ্কারের ক্ষেত্রে সেন্ট্রালের প্রেসিডেন্ট সেক্রেটারি সরাসরি যুক্ত হয়েছে, আমরা বহিষ্কার করেছি।

এদিকে বহিষ্কারের বিষয়ে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি সুস্মিতা বাড়ৈই বলেন, ভিডিও ফুটেজে ছাত্রলীগ নেত্রী রিতু আক্তার, তানজিনা, জ্যোতিসহ আরও অনেকেই ছিল, তাদের কেন বহিষ্কার করা হলো না? আমাদের কেন বহিষ্কার করা হলো?

তিনি বলেন, সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পছন্দ করেন না বলেই আমাদের বহিষ্কার করেছেন। ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে এ কাজ করা হয়েছে।