আফগানিস্তানকে ৩০৭ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ

সিরিজ নিশ্চিত করতে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাট করছে বাংলাদেশ দল। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ৩৮ রানে প্রথম উইকেট হারায় টাইগাররা।

ফজল হক ফারুকির বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে সাঝঘরে ফিরেন তামিম ইকবাল। ইনিংসের শুরুটা ভালো করলেও বেশিদূর যেতে পারেননি তিনি। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিউ নিয়েছিলেন তামিম। কিন্তু বাঁচতে পারেননি। ২৪ বলে ২ চারে ১২ রান করে ফিরেন সাঝঘরে।

শুরুতে তামিমকে হারালেও লিটন দাস ও সাকিব আল হাসানের ব্যাটে রানের চাকা সচল রাখে বাংলাদেশ। তাদের জুটিতে এগিয়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেই জুটিতে আঘাত হানেন রশিদ খান। বল করতে এসেই শিকার করেন সাকিবের উইকেট।

সাকিবকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে ফেরান রশিদ। ৩৬ বলে ২ চারে ২০ রান করে ফিরেন সাকিব। তামিম-সাকিবের বিদায়ের পর দলকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব দেন লিটন ও মুশফিক। ৫৬ বলে ৬ চারে হাফসেঞ্চুরি করেন মুশফিক।

এদিকে নিজের ক্যারিয়ারর চতুর্থ হাফসেঞ্চুরিকে সেঞ্চুরিতে রুপ দিয়েছেন লিটন। রশিদের বলে ৪ মেরে সেঞ্চুরির দেখা পান লিটন। এর ফলে ১০৭ বলে ১৪ চারে সেঞ্চুরি করেন তিনি। সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে আক্রমণাত্মক খেলতে থাকেন লিটন।

তবে ৪৭তম ওভারে এসে ঘটে বিপত্তি। ফরিদ রহমানের স্লো বলে স্ট্রেট ডিপ স্কয়ার লেগে মুজিবের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন লিটন। এতে তাদের ২০২ রানের জুটি ভাঙে ১২৬ বলে ১৬ চার ও ২ ছয়ে ১৩৬ রান করে ফিরেন তিনি।

লিটনের বিদায়ের পরের বলেই সাঝঘরে ফিরেন মুশফিক। ফারুকির হাতে ধরা পরে ফিরেন তিনি। ৯৩ বলে ৯ চারে ৮৬ রান করে ফিরেন তিনি। শেষ পর্যন্ত আফিফের অপরাজিত ১৩ ও মাহমুদউল্লাহর ৬ রানে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩০৬ রান করে বাংলাদেশ। সিরিজে ফিরতে আফগানিস্তানের প্রয়োজন ৩০৭ রান।