Home বিশেষ প্রতিবেদন রোনালদো ও নেইমারের সাথে বিজ্ঞাপনে বাংলাদেশী মঈন

রোনালদো ও নেইমারের সাথে বিজ্ঞাপনে বাংলাদেশী মঈন

মঈন উদ্দিন আহমেদ বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী পর্তুগাল প্রবাসী একজন বাংলাদেশী। দীর্ঘ এক যুগের বেশী সময় ধরে রয়েছেন ইউরোপে। কিছু দিন ইংলেন্ডে থাকার পরে চলে আসেন আটলান্টিক সাগর পাড়ের দেশ পর্তুগাল। শুরু থেকেই জড়িত ছিলেন পর্তুগালের মূল ধারার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথে।’

সাম্প্রতিক সময়ে তিনি তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও নেইমার এর সাথে পর্তুগালের অন্যতম বৃহৎ টেলিকম কোম্পানি (মিও) এর একটি যৌথ বিজ্ঞাপন চিত্রে কাজ করেছেন।

গত ২২ শে জুন লিসবনের বিভিন্ন স্থানে বিজ্ঞাপন চিত্রটির দৃশ্য ধারন করা হয়েছিল এবং বৃহস্পতিবার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর অফিসিয়াল ফেসবুক ওয়ালে এটি শেয়ার করা হয়। যা গত তিন দিনে প্রায় চার লক্ষ বারের মত দেখা হয়েছে।

উল্লেখ তিনি পর্তুগাল ইমিগ্রেশন হাই কমিশনে কর্মরত একমাত্র ইন্দো-এশিয়ান বাংলাদেশী সহকারী অফিসার – হাই কমিশন ফর মাইগ্রেশন, পর্তুগাল। মঈন বৃহত্তর কুমিল্লার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর থানার পূর্ব পাইক পাড়া গ্রামের, মৃত মুক্তিযোদ্ধা কেপ্টেন আব্দুস সাত্তারের ছেলে। সাত ভাই বোনের মধ্যে তিনিই সর্ব কনিষ্ঠ।

ছোট বেলা থেকেই থিয়েটারের প্রতি তার অনুরাগ ও ভালবাসা ছিল। বাংলাদেশে উচ্চ মাধ্যমিক পড়া অবস্থায় কাজ করেছেন বিভিন্ন নাট্য দল ও মঞ্চে। মাধ্যমিক শেষে উচ্চ শিক্ষার জন্য ইংলেন্ডে পাড়ি জমান এবং লেখাপড়া শেষ করে পর্তুগালে বসবাস শুরু করেন। এখানে আসার পর থেকেই স্থানীয় থিয়েটার গ্রুপের সাথে যুক্ত হন। স্থানীয় মঞ্চে অভিনয় করেছেন ইংলেন্ডের বিখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম সেক্স ফিয়ার এর জনপ্রিয় ট্রাজেডি ‘ম্যাকবেথ’ সহ বেশ কিছু পর্তুগীজ নাটকে।

তাছাড়া প্রতিনিয়ত বিভিন্ন স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কাজ করে যাচ্ছেন যা প্রবাসের মাটিতে বাংলাদেশ তথা কমিউনিটির সম্মান ও পরিচিত পৌঁছে দিচ্ছেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে।

‘এ প্রসঙ্গ কথা হলে মঈন উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমি একজন একনিষ্ঠ অভিবাসন ও সমাজকর্মী কিন্তু সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিও আমার রয়েছে অন্য রকম ভালবাসা। তাই যখন সময়-সুযোগ হয়, চেষ্টা করি আমাদের সংস্কৃতি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে। আর আমি আশাকরি বিজ্ঞাপন চিত্রটি দর্শকদের ভাল লাগবে। বাংলাদেশী হিসেবে আমি গর্বিত যে, বিশ্ব ফুটবলের এমন জীবন্ত তারকা কিংবদন্তিদের সাথে কাজ করতে পেরেছি।’