Home স্বাস্থ্য পাওয়া গেছে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রনের ‘চাবি’

পাওয়া গেছে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রনের ‘চাবি’

বর্তমানে বাংলাদেশে ভয়ঙ্কর ভাবে চেপে বসেছে ডেঙ্গু। ডেঙ্গুর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে সারা দেশ। হাসপাতালে একের পর এক রোগীর থাকার জায়গা দিতেও হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তপক্ষ। দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে ডেঙ্গু রোগী এবং আতঙ্ক।

সাধারণ মশার সঙ্গে ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এডিস ইজিপ্টি মশার পার্থক্য হচ্ছে এটি সাধারণত পরিষ্কার পানিতে জন্মায়। বাড়ির ভেতরেও বিভিন্ন উৎসে এর জন্ম হয়। এ ছাড়া নির্মাণাধীন ভবনের জলাধার, লিফটের নিচে এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র থেকে বের হওয়ার পর জমে থাকা পানি, ফুলের টব, টায়ার-টিউবসহ যেসব জায়গায় পানি জমে, সেগুলোই এডিস মশার বংশ বিস্তারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। কিন্তু এসব ব্যক্তিগত জায়গায় ওষুধ ছিটানো হয় না।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক খন্দকার শরীফুল বলেন, অভ্যাস পরিবর্তন জরুরি। আমাদের জীবনযাপনের ধরনে নিয়মিত পরিষ্কার থাকার মানসিকতা লালন করতে হবে। শুধু পরিবারেই নয় যেখানে মানুষের বসতি আছে যেমন ছাত্রাবাস, আবাসিক হোটেল, রেস্তোরাঁ, শ্রেণিকক্ষ ইত্যাদি নিয়মিত পানির পাত্র পরিষ্কার রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মশার ধরণ হলো দুটি। একটি উড়ন্ত মশা, অপরটি লার্ভা। মশা নিধনের জন্য ধোঁয়া দিয়ে হয়তো উড়ন্ত মশা মেরে ফেলা যাবে। কিন্তু যে পানিতে লার্ভা থাকে সেখানে যদি সরাসরি স্প্রে না করা হয় তাহলে এডিস মশা জন্মাবেই। তাই এডাল্ডিসাইডের পাশাপাশি লার্ভিসাইডও করা দরকার। অর্থ্যাৎ ধোঁয়া দিয়ে মশা নিধনের পাশাপাশি স্প্রে করতে হবে।

এ ছাড়া কিছু ওষুধ রয়েছে যেগুলো দুটোর কাজই করবে এমন ওষুধই প্রয়োগ করা দরকার। তবে মশা যদি একবার সেই ওষুধ মানিয়ে নিতে পারে তাহলে সেই ওষুধ প্রয়োগ করলে লাভ হবে না। তাই মশা নিধনের ওষুধ নিয়মিত পরিবর্তন করতে হবে।