Home রাজধানী ওয়াসার ভয়াবহ দুর্নীতি

ওয়াসার ভয়াবহ দুর্নীতি

দুর্নীতি যেন পিছুই ছাড়ছে না দেশকে। এক দিক দিয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধ করা হচ্ছে অপরদিকে অন্য কোন নতুন উপায়ে দুর্নীতি করেই চলেছে দুর্নীতিবাজরা। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ওয়াসার ১১ টি দুর্নীতির উৎস।

এসব উৎস চিহ্নিত করার পাশাপাশি প্রতিরোধ করার জন্য ১২ টি সুপারিশও করছে দুর্নীতি দমন কমিশন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ না করে বিভিন্ন অজুহাতে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সীমা ও ব্যয় বাড়ানো হয়। এ কাজে প্রকল্প পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী এবং ওয়াসার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষও জড়িত থাকে।

ব্যক্তিমালিকানাধীন গভীর নলকূপ স্থাপন, মিটার রিডিং ও রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে দুর্নীতিও খুঁজে পেয়েছে অনুসন্ধানদল। ব্যক্তিমালিকানাধীন গভীর নলকূপ স্থাপন, মিটার রিডিং ও রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ওয়াসা এখনো ম্যানুয়াল পদ্ধতি ব্যবহার করায় প্রকৌশল ও রাজস্ব শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মিলে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন, যার মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে।

এ ছাড়া ঠিকাদার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট পদ্ধতি ও রাজনৈতিক পরিচয় এবং কাজ পাওয়ার বিনিময়ে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।ওয়াসায় জনবলসংকটের কারণে নিয়োজিত কর্মচারীদের ওভারটাইম বিল বেতনের চেয়ে দ্বিগুণ বলে অভিযোগ রয়েছে। কিছু প্রভাবশালী কর্মচারী ওভারটাইম না করেও কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় ওভারটাইম বিল উত্তোলন করে আসছেন। এসব দুর্নীতি প্রতিরোধে ১২টি সুপারিশ করেছে দুদকের দল।