Home বিশেষ প্রতিবেদন এক নজরে ওবায়দুল কাদেরের রাজনৈতিক জীবন

এক নজরে ওবায়দুল কাদেরের রাজনৈতিক জীবন

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। দিনভর তিনি অচেতন থাকলেও রাতে তার জ্ঞান ফিরেছে ও চোখ মেলে তাকিয়েছেন।

তার উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে এসেছে, প্রস্রাবও হয়েছে। এমনকি ইশারায় তিনি পানি চাইলে চিকিৎসকরা তাকে নলের মাধ্যমে তা খেতে দেন। গতকাল রাত ১০ টায় এই তথ্য জানা গেছে।

এদিকে মাত্র ১৯ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধের একটি থানা কোম্পানির অধিনায়ক হয়েছিলেন ওবায়দুল কাদের।

জিয়ার আমলে বছরের পর বছর জেলখানায় বন্দী থেকে টানা দুবার ছাত্রলীগ সভাপতি হয়েছিলেন। দেহে রয়ে গেছে গ্রেনেডের দগদগে ক্ষত আর ৫৩টি স্লিন্টার।
স্কুল শিক্ষকের ছেলে, গ্রাম থেকে নিজগুণে উঠে এলেন রাজনীতির শীর্ষে। তিলে তিলে তৈরি হলো আজকের ওবায়দুল কাদের। সাংবাদিকতা, লেখালেখি,রাজনীতি সবই করেছেন সমানতালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাও করেছেন।

আজকের বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্তির বিষয়ে তার অবদান অনস্বীকার্য, এটা অবশ্য অনেকে জানে না। সরল মনে শিশুর মতো ফেসবুকে থাকতেন, সমালোচনা কটূবাক্য খুব মজা ভরে নিতেন। এমনকি তার নিজেকে নিয়ে বানানো ট্রল গুলো দেখে নিজেই হাসতেন বাচ্চা ছেলের মতো। তিনি একজন কবি, লেখক ও গল্পকার। কখনই প্রতিক্রিয়া দেখাতেন না। সৌখিন, রুচীশীল এই সুপুরুষ বর্ণিল জীবন তিনি যাপন করে গেলেন। তিনি সবার সাথে ছবি তুলতেন, ধৈর্য্য নিয়ে। এ জন্য তাকে নিয়ে কত ট্রল হয়েছে।

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদ ও জাতীয় নেতা কেউ কি আছেন তার মতো? যিনি গুরুত্ববহ লোক হয়েও সবার সাথে মিশেছেন? সকালে হাঁটতে বেড়িয়ে সাধারণের সাথে দিন পার করেছেন। পদ্মা সেতুর প্রথম পাইলিং যখন হয়, তখন খুশিতে কেঁদেছিলেন এ মানুষটি।

প্রতিদিন খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে ফজরের নামাজ পড়তেন, আজকেও সেই ফজরের নামাজ পড়ার পরেই শ্বাসকষ্ট শুরু হলে হাসপাতালে ভর্তি হন, সেখান থেকেই… । আমাদের অশ্রু প্রার্থণা, ভালোবাসা মুক্তিযোদ্ধা ওবায়দুল কাদেরের জন্য।